ফোন: +88-02-55088225
ইমেইল: info@challengesbd.com
Opening: ananın amı hours
EN | BN
  • Admin
  • Apr 23, 2021

চরম ঝুকিপূর্ন অবস্থা

একজন রিকোভারীকে যে পরিবেশ, পরিস্থিতি বা যে কোন ঘটনা পুনরায় নেশার দিকে নিয়ে যেতে পারে তাকে চরম ঝুকিপূর্ন অবস্থা বলা হয়ে থাকে। আর এই সকল পরিবেশ, পরিস্থিতি বা ঘটনা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলাটাই একান্তভাবে কাম্য ...

চরম ঝুকির্পর্ন অবস্থার লক্ষন সমুহঃ

১। অতিরিক্ত টাকা-পয়সা

২। আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রন

৩। প্রচন্ড একাকীত্ব বা প্রচন্ড খুশি

৪। বিশেষ কিছু গান

৫। কিছু কিছু মেয়ের সান্নিধ্য

৬। এ্যাকশন ধর্মী যে কোন কাজ

৭। যে কোন প্রভাব

৮। সুস্থতার আসল কাজ এড়ানো

৯। অতীতের কাজের জন্য অপরাধ বোধ

চরম ঝুকিপূর্ন অবস্থার রক্ষনাবেক্ষন বা বিদ্যমানঃ

১। নেশাগ্রস্থ মানুষ বা বন্ধুর সাথে থাকলে অস্বস্থি বোধ করা বা বিরক্ত বোধ করা।

২। নিজের ভিতর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।

৩। সব সময় নেশার কথা ভাবা বা বাজে চিন্তা করা।

৪। নিজেকে অন্যের কাছে গ্রহণ যোগ্য করে তোলার জন্য বা শুধুমাত্র আনন্দ পাওয়ার জন্য ড্রাগস নেওয়া যায় এরকম মনোভাব তৈরী হওয়া।

৫। শারিরীক কষ্ট বা বেদনা মনে হওয়া।

৬। মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, এমন মনে করা।

৭। আত্ম-করুনা বা আত্ম-কষ্ট।

৮। যৌন সংক্রান্ত্য জটিলতা।

৯। কষ্ট দায়ক স্মৃতি বা প্রিয় মানুষকে হারানো বা বিচ্ছেদ।

১০। একাকীত্ব, নিঃস্ব মনে হওয়া।

১১। আমি নেশাকে ‘না’ বলতে পারি কিনা পরিক্ষা করা।

১২। নিশ্চিত ভাবে নম্র ও সুস্থ জীবনের ব্যাপারে অস্বীকার করা।

১৩। নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও মনোভাব তৈরী হওয়া।

১৪। ড্রাগস বা মাদকের গন্ধ পাওয়া বা দৃষ্টি গোচর হওয়া।

১৫। চাপ বা দুশ্চিন্তা মোকাবেলা করতে না পারা।

১৬। নেতিবাচক দলগত চাপ সৃষ্টিকারীদের সাথে মেলা-মেশা করা।

১৭। অবসর সময়ে কিছু না করা এবং এর জন্য কোন পরিকল্পনা না থাকা।

১৮। সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে জটিলতা।

১৯। অবাস্তব ভাবে নিজেকে নিয়ে চিন্তা করা।

২০। সামাজিক প্রভাব।