ফোন: +88-02-55088225
ইমেইল: info@challengesbd.com
Opening: ananın amı hours
EN | BN
#
  • Admin
  • Apr 16, 2021

আবাসিক রোগী

রোগী পুনর্বাসন এবং চিকিৎসাঃ

আসক্তি একটি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা। আসক্ত ব্যক্তির সুস্থতার যাত্রাটি একটি আজীবন প্রক্রিয়া, যার জন্যে প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা এবং চিকিৎসা পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদী সেবা। 
একজন আসক্ত ব্যক্তির পুনরায় নেশার কাছে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি এড়িয়ে সুস্থ থাকার প্রয়োজনীয় দক্ষতাগুলো শেখাতে পারে পেশাদার চিকিৎসক, মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা
এবং এন.এ. এর মতো গ্রুপ।
একজন আসক্ত ব্যক্তির আসক্তি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজন, একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কিছুদিন আলাদা করে শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা- যা ইন-পেশেন্ট রিকোভারি প্রোগ্রাম বা আবাসিক চিকিৎসা নামেও পরিচিত।
এখানে রোগীকে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা এবং মানসিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
ইন-পেশেন্ট রিহ্যাব বা আবাসিক পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর চিকিৎসা পদ্ধতি পরিকল্পনা করে তৈরী করা হয় সাইকোলজিস্ট, সাইকিয়াট্রিস্ট এবং আসক্তির ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ প্রোগ্রামারদের সমন্বয়ে।
আসক্ত ব্যক্তির সুস্থতার ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। আবাসিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে পরিবারের সদস্যরা রোগীকে মানসিক সমর্থন এবং উৎসাহ দেয়ার জন্য আসক্ত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে পারবে।
চ্যালেঞ্জেস পূনর্বাসন কেন্দ্রে আসক্ত ব্যক্তির পরিবারকেও কাউন্সিলিং দেয়া হয়।
প্রতি শুক্রবার, সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত, আসক্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের গ্রুপ কাউন্সিলিং এবং সাইকো এডুকেশান দেয়া হয়।
প্রতি রবিবার, সোমবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, এবং শনিবার রোগী এবং রোগীর পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা আছে।
মেডিকেল অফিসারেরা নিয়মিত প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় রোগীর তত্ত্বাবধান করে এবং জরুরী প্রয়োজনে যেকোন মুহুর্তে উপস্থিত থাকে।

চ্যালেঞ্জেস-এর আবাসিক পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্রতিদিনঃ

চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে আসক্ত ব্যক্তি তার দৈনন্দিন জীবনের সব বাঁধা-বিঘ্নতা পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র, আসক্তি থেকে বেরিয়ে এসে সুস্থ থাকার উপর মনোনিবেশ করতে পারে।
আবাসিক চিকিৎসা বাঁ পুনর্বাসন কেন্দ্রের একটি সাধারণ দিনের পরিকল্পনা করা হয়ে থাকে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করে এবং বিবেচনা সাপেক্ষে। সাইকোলোজিস্ট, কাউন্সিলর, ও সাইকিয়াট্রিস্ট-রা রোগীর সাথে আলাদাভাবে এবং গ্রুপ সেশন- দুই ভাবেই সময় দিয়ে থাকেন। আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা রোগীকে এই সেশনগুলোর মাধ্যমেই দেয়া হয়ে থাকে। সাধারণত এই ইন-পেশেন্ট প্রোগ্রামগুলোর সময়সীমা ২৮ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ইন-পেশেন্ট চিকিৎসা পদ্ধতির প্রথম ধাপ হল ডিটক্স বা ডিটক্সিফিকেশান। রোগীর শরীর থেকে মাদকদ্রব্যের রেশ সম্পূর্ণরূপে কেটে যাওয়া পর্যন্ত ফিজিশিয়ান ও আসক্তি বিশেষজ্ঞরা পর্যবেক্ষণ করে থাকেন গুরুত্বপূর্ণভাবে। ডিটক্সের সময় মাদকের/নেশার প্রতি টান থাকাটা খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার এবং এই টান কাটিয়ে ওঠা কঠিন হতে পারে; যা পুনরায় মাদকের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে রোগীকে নিয়মিত মনিটরিং মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয় যা আসক্ত রোগীদের মাদক গ্রহণ করা থেকে রক্ষা করতে করে। মাদকের তীব্র টান এবং উইথড্রল কমাতে চিকিৎসকেরা প্রয়োজনে ঔষধ দিয়ে থাকেন। 

একেক মাদকদ্রব্য এবং তা ব্যাবহারের সময়নুযায়ী রোগীর মস্তিষ্ক একেক ভাবে প্রতিক্রিয়া করে থাকে।

কোন মাদকদ্রব্যের উইথড্রলই সহজ বাঁ সুখকর নয়। তবে কিছু কিছু মাদক চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সহায়তা ছাড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়। কিছু প্রত্যহারজনিত সমস্যা মারাত্মক হতে পারে যেমন, সিন্থেটিক আফিম, বেনজোডিয়াজেপাইনস, অ্যালকোহল এবং হেরোইনের উইথড্রল। রিহ্যাবে থাকাকালীন সময়ে রোগী ২৪ ঘন্টা এবং যে কোন মুহুর্তে চিকিৎসা সুবিধা পেয়ে থাকে।
এই পরিচর্যাই/চিকিৎসা নেশামুক্ত থাকা এবং পুনরায় নেশার কাছে ফিরে যাওয়ার মাঝে পার্থক্য।


ইন- পেশেন্ট প্রোগ্রামের সুবিধা
সফলতার হার বেশী
অবিঘ্নিত  দৈনন্দিন জীবন
২৪ ঘন্টা চিকিৎসা এবং মানসিক সহায়তা
কোর্সের সময়কাল ন্যূনতম ৪ মাস
আসক্তি রোগের চিকিৎসার জন্য প্রোগামটি পরিকল্পনা করে তৈরী
দৈনন্দিন জীবন-যাপন কোন বাঁধা-বিঘ্নতা ছাড়া